মহেশতলায় মঙ্গলবার রাতে এক মর্মান্তিক ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে বরুণ মণ্ডল নামে এক ব্যক্তির। কালীপুজোর প্যান্ডেলের সামনে প্রতিবেশীদের সঙ্গে সামান্য কথা কাটাকাটিই মুহূর্তে রূপ নেয় মারণ বচসায়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এই ঘটনায় দু’জন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, এবং তাদের বিরুদ্ধে খুনের মামলা দায়ের হয়েছে।
🔹 Story Highlights (Read Box)
Incident Location: Maheshtala
Victim: বরুণ মণ্ডল
Prime Accused: চিরঞ্জিত মিত্র ও শুভঙ্কর মিত্র (দুজনেই ভাই)
Time: মঙ্গলবার রাত ১০টা ৪৫ মিনিট
Nature of Crime: Lynching following drunken altercation
Current Status: দু’জন গ্রেপ্তার, খুনের মামলা শুরু
ঘটনাটি ঘটেছে রাত প্রায় ১০টা ৪৫ মিনিট নাগাদ, যখন Maheshtala অঞ্চলের স্থানীয় কালীপুজোর প্যান্ডেলে চলছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নাচগান। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বরুণ মণ্ডল রাস্তা দিয়ে হাঁটছিলেন এবং কিছুক্ষণ থেমে প্যান্ডেলের সামনে দাঁড়ান। সেই সময় কয়েকজন প্রতিবেশী নাচছিলেন, এবং আচমকাই তাঁদের মধ্যে একজনের সঙ্গে তাঁর বচসা বাঁধে।
এক পুলিশ আধিকারিক বলেন,
“তিনি (বরুণ) প্যান্ডেলের সামনে থেমেছিলেন, তখন কিছু প্রতিবেশী নাচছিলেন। হঠাৎই মদ্যপ অবস্থায় থাকা কয়েকজনের সঙ্গে তাঁর ঝগড়া বাধে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত দুই ভাই — চিরঞ্জিত মিত্র ও শুভঙ্কর মিত্র — প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত।”
বচসার রেশেই মারধর শুরু হয় বলে অভিযোগ। পুলিশ জানিয়েছে, বরুণ মণ্ডলকে রাস্তায় ফেলে বুকে লাথি মারা হয় এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। তাঁকে দ্রুত বিদ্যাসাগর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, কিন্তু চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর Maheshtala এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত দুই ভাইয়ের উপর ক্ষোভ প্রকাশ করে এবং তাঁদের ঘিরে ধরে আক্রমণ চালায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁদের উদ্ধার করে এবং গ্রেপ্তার করে।
ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার এক কর্মকর্তা বলেন,
“দু’জনকেই আমরা গ্রেপ্তার করেছি। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি একটি Lynching ঘটনার মতো মনে হলেও ময়নাতদন্তের রিপোর্টের পরই সম্পূর্ণ চিত্র স্পষ্ট হবে।”
এই ঘটনার জেরে Maheshtala অঞ্চলে আতঙ্কের আবহ তৈরি হয়েছে। পুজোর আনন্দের রাতে এই হিংসা ও মৃত্যুর খবর স্থানীয়দের স্তম্ভিত করেছে। পাড়ার এক প্রবীণ বাসিন্দা বলেন,
“আমরা প্রতি বছর শান্তিপূর্ণভাবে পুজো করি। এবছর এই রকম একটা মৃত্যু আমাদের ভীষণভাবে নাড়া দিয়েছে।”
অন্যদিকে, একই রাতে কলকাতার পারনশ্রী এলাকায়ও দুটি গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানিয়েছে, সেখানে অস্ত্র হাতে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। উভয় পক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে দুটি পৃথক মামলা রুজু হয়েছে, এবং বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মহেশতলায় এই লিঞ্চিং ঘটনা স্থানীয়দের মধ্যে গভীর আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। বরুণ মণ্ডলের অকাল মৃত্যু এবং কালীপুজোর আনন্দময় রাতের এই দুঃখজনক পরিণতি স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, Maheshtala তে নিরাপত্তা ও সামাজিক সংহতির অভাব কতটা গুরুতর হতে পারে। পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এই ঘটনার মাধ্যমে Maheshtala তে অপরাধ এবং হিংসার ঘটনা সম্পর্কে সবাইকে আরও সচেতন হওয়ার প্রয়োজনীয়তা পুনর্ব্যক্ত হয়েছে।
আপনার মূল্যবান সময় দেওয়ার জন্য অশেষ ধন্যবাদ! ❤️আমরা সবসময় চেষ্টা করি আপনাদের জন্য তথ্যসমৃদ্ধ, আকর্ষণীয় এবং গুরুত্বপূর্ণ কন্টেন্ট তৈরি করতে, যাতে আপনি নতুন কিছু জানতে ও শিখতে পারেন। আপনার যদি কোনো প্রশ্ন থাকে বা আমাদের সঙ্গে আপনার মতামত শেয়ার করতে চান, তাহলে “যোগাযোগ করুন” ফর্ম ব্যবহার করে সরাসরি আমাদের সাথে কথা বলুন। আমরা আগ্রহের সঙ্গে আপনার কথা শুনতে প্রস্তুত এবং আপনার প্রতিক্রিয়াকে গুরুত্ব সহকারে গ্রহণ করি। এছাড়াও, ভবিষ্যতের আপডেট, নতুন নিবন্ধ ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিস না করতে আমাদের সঙ্গে যুক্ত থাকুন—একসঙ্গে জানবো, শিখবো, আর নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্ব দেখবো
